লন্ডন, ১৮ ডিসেম্বর : লন্ডন হাউস অব লর্ডস, কমিটি রুম-১-এ ১৬ ডিসেম্বর মঙ্গলবার বাংলাদেশের ৫৫তম বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক, কমিউনিটি নেতা এবং স্কটল্যান্ডে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল ড. ওয়ালি তসার উদ্দিন এমবিই, ডিবিএ, ডি.লিট-এর অসামান্য অবদানকে বিশেষভাবে সম্মাননা জানানো হয়। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে নর্থাম্পটন ব্রিটিশ বাংলাদেশি বিজনেস চেম্বার। এতে যুক্তরাজ্য জুড়ে হাউস অব লর্ডসের সদস্য, সংসদ সদস্য, কাউন্সিলর, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও কমিউনিটি প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। স্কটল্যান্ড থেকে প্রতিনিধিত্ব করেন আগামী স্কটিস পার্লাম্যান্ট নির্বাচনে আলবা পার্টি স্কটল্যান্ডের সম্ভাব্য এম পি পদপ্রার্থী আবু মিরন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এম ডি মতিন ও আব্দুল মতলিব চৌধুরী।
অনুষ্ঠানটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন নর্থ্যাম্পটন ব্রিটিশ বাংলাদেশি বিজনেস চেম্বারের সেক্রেটারি মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান। এর পর বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
অনুষ্ঠানের আয়োজক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লর্ড রামি রেঞ্জার, হাউস অব লর্ডসের সদস্য। অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী বক্তব্য দেন নর্থাম্পটন টাউন কাউন্সিলের কাউন্সিলর ও ব্রিটিশ বাংলাদেশি বিজনেস চেম্বারের সভাপতি নাজ ইসলাম। এরপর ড. ওয়ালি তসার উদ্দিনের জীবন ও অবদানের ওপর একটি ভিডিও প্রেজেন্টেশন প্রদর্শিত হয়।
অনুষ্ঠানে দেশের ও কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য দেন, যার মধ্যে ছিলেন মুজাহিদ খান এমবিই ডিএল, ব্যারোনেস পোলা উদ্দিন, মাইক রিডার এমপি, আপসানা বেগম এমপি, মিসেস রুহালি উদ্দিন, কাউন্সিলর ওহিদ আহমেদ, কাউন্সিলর রিতা বেগম, প্রফেসর ড. সানাওয়ার চৌধুরী, ওলি খান এমবিই, মিতু চৌধুরী, টিপু রহমান, রফিক হায়দার, শাহাগীর বখত ফারুক, প্রফেসর ড. রইস আলী, কামাল ইয়াকুব, ড. মিশবাউর রহমান, এবং সালিম শরীফ। বক্তারা বিজয় দিবসের ঐতিহাসিক গুরুত্ব এবং ড. উদ্দিনের দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক, সমাজসেবামূলক ও নেতৃত্ব প্রদানের অবদানকে প্রশংসা করেন।
অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিলেন ড. ওয়ালি তসার উদ্দিনের কীনোট বক্তব্য, যেখানে তিনি ১৯৭১ সালের শহীদদের ত্যাগকে স্মরণ করেন এবং ঐক্য, সেবা ও যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্কের শক্তিশালীকরণ নিয়ে আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত হয় সলিসিটার সাদিক চৌধরী এলএলএম-এর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন এবং মোহাম্মদ মুজিবুর রহমানের ধন্যবাদসূচক বক্তব্যের মাধ্যমে। এভাবে অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশের বিজয় দিবসের স্মরণীয় ও অর্থবহ উদযাপন হিসেবে এবং একজন অসাধারণ কমিউনিটি নেতার অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাফল্যের সঙ্গে শেষ হয়।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Suprobhat Michigan

শহিদুল ইসলাম :